আমেরিকা স্টুডেন্ট ভিসা থেকে গ্রিন কার্ড। সহজ উপায় জানুন
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা করতে যাওয়া আপনার স্বপ্ন? তারপর গ্রিন কার্ডের মাধ্যমে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ কে না কাজে লাগাতে চায়। আপনি যদি একজন স্টুডেন্ট ভিসার (F1 ভিসা) মাধ্যমে আমেরিকাতে যান, তাহলে আপনার জন্য গ্রিন কার্ড পাওয়ার কিছু সুনির্দিষ্ট পথ খোলা থাকে। আসুন, সেই পথগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
আমেরিকা স্টুডেন্ট ভিসা থেকে গ্রিন কার্ড
আমেরিকা স্টুডেন্ট ভিসা (F1 ভিসা) নিয়ে যারা পড়াশোনা করতে যান, তাদের মধ্যে অনেকেই চান পড়ালেখা শেষ করে সেখানেই স্থায়ীভাবে বসবাস করতে। কিন্তু স্টুডেন্ট ভিসা থেকে সরাসরি গ্রিন কার্ড পাওয়া বেশ কঠিন। তবে, কয়েকটি উপায় আছে যার মাধ্যমে আপনি এই স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন।
আমেরিকা গ্রিন কার্ড কি?
গ্রিন কার্ড, যা আনুষ্ঠানিকভাবে “স্থায়ী বাসিন্দা কার্ড” নামে পরিচিত, এটি এমন একটি নথি যা একজন বিদেশিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস ও কাজ করার অনুমতি দেয়। গ্রিন কার্ডধারীরা কিছু শর্তসাপেক্ষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের মতো প্রায় সব সুবিধাই ভোগ করতে পারেন।
স্টুডেন্ট ভিসা থেকে গ্রিন কার্ড পাওয়ার বিভিন্ন উপায়
স্টুডেন্ট ভিসা থেকে গ্রিন কার্ড পাওয়ার সরাসরি কোনো রাস্তা নেই, তবে কিছু বিকল্প পথ রয়েছে। সাধারণত, এই প্রক্রিয়াটি তিনটি প্রধান ধাপের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ঃ
- একটি স্পনসর খুঁজে বের করা
- ভিসা আবেদন করা
- গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করা
কর্মসংস্থান-ভিত্তিক গ্রিন কার্ড
যদি আপনি পড়াশোনা শেষ করার পরে আমেরিকাতে চাকরি পান, তাহলে আপনার কোম্পানি আপনাকে স্পনসর করতে পারে। এক্ষেত্রে, আপনার নিয়োগকর্তা আপনার হয়ে গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করবে।
বিভিন্ন ধরনের কর্মসংস্থান-ভিত্তিক গ্রিন কার্ড রয়েছে, যেমন EB-1, EB-2, এবং EB-3। আপনার যোগ্যতা এবং কাজের ধরনের উপর নির্ভর করে এই গ্রিন কার্ডগুলো পাওয়া যেতে পারে।
পরিবার-ভিত্তিক গ্রিন কার্ড
যদি আপনার পরিবারের কোনো সদস্য (যেমনঃ বাবা, মা, ভাই, বোন অথবা স্বামী/স্ত্রী) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হন অথবা গ্রিন কার্ডধারী হন, তাহলে তারা আপনাকে স্পনসর করতে পারেন।
পরিবার-ভিত্তিক গ্রিন কার্ডের ক্ষেত্রে, আপনার পরিবারের সদস্যের সাথে আপনার সম্পর্কের প্রমাণ এবং তাদের নাগরিকত্বের প্রমাণ দেখাতে হবে।
বিনিয়োগের মাধ্যমে গ্রিন কার্ড
EB-5 ভিসা প্রোগ্রামের মাধ্যমে আপনি একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ (বর্তমানে প্রায় $900,000 থেকে $1.8 মিলিয়ন) বিনিয়োগ করে গ্রিন কার্ড পেতে পারেন।
এই প্রোগ্রামের আওতায়, আপনাকে এমন একটি ব্যবসায় বিনিয়োগ করতে হবে যা কমপক্ষে ১০টি নতুন চাকরির সুযোগ তৈরি করবে।
আমেরিকা স্টুডেন্ট ভিসা থেকে গ্রিন কার্ড পাওয়ার যোগ্যতা
- আপনার একটি বৈধ স্টুডেন্ট ভিসা থাকতে হবে।
- আপনাকে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে আপনি পড়াশোনা শেষ করার পরে দেশে ফিরে যেতে ইচ্ছুক, যতক্ষণ না পর্যন্ত আপনি গ্রিন কার্ডের জন্য যোগ্য হন।
- গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করার সময় আপনাকে অবশ্যই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইন মানতে হবে।
- আপনার কোনো প্রকার অপরাধমূলক রেকর্ড থাকা চলবে না।
- শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে হবে।
আমেরিকা স্টুডেন্ট ভিসা থেকে গ্রিন কার্ডের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস
গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদনের সময় আপনার কিছু গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস জমা দিতে হবে। এই ডকুমেন্টসগুলো আপনার যোগ্যতা প্রমাণে সহায়ক হবে। নিচে কয়েকটি জরুরি ডকুমেন্টের তালিকা দেওয়া হলোঃ
- জন্ম সনদ
- পাসপোর্ট এবং ভিসার কপি
- I-20 ফর্ম (স্টুডেন্ট ভিসার প্রমাণ)
- শিক্ষা সংক্রান্ত সকল সার্টিফিকেট এবং ট্রান্সক্রিপ্ট
- যদি কর্মসংস্থান ভিত্তিক গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করেন, তাহলে চাকরির প্রস্তাবপত্র। যদি পরিবার ভিত্তিক গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করেন, তাহলে পরিবারের সদস্যের নাগরিকত্বের প্রমাণ এবং সম্পর্কের প্রমাণপত্র
- আবেদন ফর্ম (যেমনঃ I-485)
- মেডিকেল পরীক্ষার রিপোর্ট
- পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট
- আর্থিক সহায়তার প্রমাণপত্র
আমেরিকা স্টুডেন্ট ভিসা থেকে গ্রিন কার্ড পাওয়ার খরচ
গ্রিন কার্ড পাওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের ফি এবং খরচ রয়েছে। এই খরচগুলো আপনার আবেদনের ধরনের উপর নির্ভর করে। নিচে একটি আনুমানিক খরচের তালিকা দেওয়া হলোঃ
| বিষয় | আনুমানিক খরচ (USD) |
| I-485 (গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন) | $1,140 |
| I-130 (পরিবার-ভিত্তিক আবেদনের জন্য) | $535 |
| I-140 (কর্মসংস্থান-ভিত্তিক আবেদনের জন্য) | $700 |
| মেডিকেল পরীক্ষা | $200 – $500 |
| অন্যান্য খরচ (যেমন: কাগজপত্র তৈরি, অনুবাদ) | $100 – $500 |
| আইনি পরামর্শ (ঐচ্ছিক) | $2,000 – $10,000 |
আমেরিকা স্টুডেন্ট ভিসা থেকে গ্রিন কার্ড আবেদন করার নিয়ম
- প্রথমত, আপনাকে গ্রিন কার্ডের জন্য যোগ্য হতে হবে। আপনার যোগ্যতা অনুযায়ী একটি স্পনসর খুঁজে বের করুন (নিয়োগকর্তা বা পরিবারের সদস্য)।
- আপনার স্পনসরকে I-130 (পরিবার-ভিত্তিক) অথবা I-140 (কর্মসংস্থান-ভিত্তিক) আবেদনপত্র জমা দিতে হবে USCIS (United States Citizenship and Immigration Services)-এ।
- USCIS আপনার আবেদনপত্র অনুমোদন করার পরে, আপনাকে I-485 ফর্ম জমা দিতে হবে, যা গ্রিন কার্ডের জন্য মূল আবেদনপত্র।
- আপনার সমস্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে।
- USCIS আপনাকে ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকতে পারে।
- ইন্টারভিউতে আপনার যোগ্যতা এবং উদ্দেশ্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।
- ইন্টারভিউতে উত্তীর্ণ হলে এবং আপনার আবেদনপত্র সফলভাবে বিবেচিত হলে, আপনি গ্রিন কার্ড পাবেন।
আমেরিকা গ্রিন কার্ড পাওয়ার শর্ত
- আপনাকে অবশ্যই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইন মেনে চলতে হবে।
- কোনো প্রকার অপরাধমূলক কাজে জড়িত থাকা যাবে না।
- আপনাকে প্রমাণ করতে হবে যে আপনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ার যোগ্য।
- আপনাকে নিয়মিতভাবে আপনার ঠিকানা USCIS-কে জানাতে হবে।
- যদি আপনি কোনো কারণে দেশের বাইরে যান, তাহলে আপনাকে অবশ্যই USCIS-এর নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে।
গ্রিন কার্ড ইন্টারভিউ টিপস
- সাক্ষাৎকারের জন্য ভালোভাবে প্রস্তুতি নিন। আপনার আবেদনপত্র এবং সহায়ক কাগজপত্র সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন।
- সাক্ষাৎকারের সময় আত্মবিশ্বাসী থাকুন এবং প্রশ্নের উত্তর স্পষ্টভাবে দিন।
- প্রাসঙ্গিক এবং সত্য তথ্য দিন। কোনো ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।
- পোশাকের দিকে মনোযোগ দিন। মার্জিত এবং পেশাদার পোশাক পরিধান করুন।
- সময়মতো পৌঁছান। সাক্ষাৎকারের স্থানে সময়মতো অথবা একটু আগে পৌঁছানোর চেষ্টা করুন।
- শান্ত থাকুন এবং ভদ্র আচরণ করুন।
- যদি কোনো প্রশ্ন বুঝতে অসুবিধা হয়, তাহলে বিনয়ের সাথে আবার জিজ্ঞাসা করুন।
- আপনার গ্রিন কার্ড পাওয়ার কারণ এবং উদ্দেশ্য স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করুন।
স্টুডেন্ট ভিসা থেকে গ্রিন কার্ড পাওয়ার সময়সীমা
স্টুডেন্ট ভিসা থেকে গ্রিন কার্ড পাওয়ার সময়সীমা বিভিন্ন কারণের উপর নির্ভর করে। সাধারণত, পরিবার-ভিত্তিক গ্রিন কার্ডের ক্ষেত্রে কয়েক মাস থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। কর্মসংস্থান-ভিত্তিক গ্রিন কার্ডের ক্ষেত্রেও একই রকম সময় লাগতে পারে, তবে এটি আপনার পেশা এবং যোগ্যতার উপর নির্ভর করে। EB-5 ভিসার মাধ্যমে গ্রিন কার্ড পেতেও বেশ কয়েক বছর সময় লাগতে পারে।
গ্রিন কার্ডের সুবিধা
গ্রিন কার্ডধারীরা অনেক ধরনের সুবিধা ভোগ করতে পারেন, যা তাদের জীবনযাত্রাকে উন্নত করে। নিচে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সুবিধা উল্লেখ করা হলোঃ
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস এবং কাজ করার অধিকার।
- শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে ভ্রমণের সুবিধা।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার যোগ্যতা।
- সরকারি সহায়তার সুযোগ (যেমনঃ সামাজিক নিরাপত্তা এবং মেডিকেয়ার)।
- পরিবারের সদস্যদের স্পনসর করার সুযোগ।
গ্রিন কার্ডের জন্য আইনজীবী
গ্রিন কার্ডের আবেদন একটি জটিল প্রক্রিয়া। একজন অভিজ্ঞ অভিবাসন আইনজীবী আপনাকে এই প্রক্রিয়ায় সাহায্য করতে পারেন।
- আইনজীবী আপনাকে আপনার পরিস্থিতি অনুযায়ী সঠিক পথ দেখাতে পারেন।
- আবেদনপত্র তৈরি এবং জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে সহায়তা করতে পারেন।
- সাক্ষাৎকারের জন্য প্রস্তুত করতে পারেন।
- যদি আপনার আবেদনপত্র প্রত্যাখ্যান হয়, তাহলে আপিল করতে সাহায্য করতে পারেন।
আমেরিকা স্টুডেন্ট ভিসা এবং গ্রিন কার্ডের মধ্যে পার্থক্য
স্টুডেন্ট ভিসা (F1 ভিসা) এবং গ্রিন কার্ডের মধ্যে কিছু মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা একটি অস্থায়ী ভিসা, যা আপনাকে শুধুমাত্র পড়াশোনার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি দেয়। অন্যদিকে, গ্রিন কার্ড আপনাকে স্থায়ীভাবে বসবাস এবং কাজ করার অধিকার দেয়। নিচে এই দুটি ভিসার মধ্যে প্রধান পার্থক্যগুলো তুলে ধরা হলো:
| বৈশিষ্ট্য | স্টুডেন্ট ভিসা (F1 ভিসা) | গ্রিন কার্ড |
| উদ্দেশ্য | শুধুমাত্র পড়াশোনার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অস্থায়ীভাবে বসবাস। | মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস এবং কাজ করা। |
| সময়কাল | ভিসার মেয়াদ পর্যন্ত অথবা পড়াশোনা শেষ হওয়া পর্যন্ত। | স্থায়ী। |
| কাজের অনুমতি | সাধারণত ক্যাম্পাসের বাইরে কাজ করার অনুমতি নেই, তবে কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে CPT (Curricular Practical Training) এবং OPT (Optional Practical Training)-এর মাধ্যমে কাজের সুযোগ পাওয়া যায়। | যেকোনো বৈধ কাজ করার অনুমতি আছে। |
| নাগরিকত্বের সুযোগ | সরাসরি নাগরিকত্বের সুযোগ নেই। | গ্রিন কার্ডধারীরা নির্দিষ্ট সময় পর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন। |
| ভ্রমণ | ভিসার মেয়াদ এবং I-20 ফর্মের উপর নির্ভরশীল। | গ্রিন কার্ডধারীরা সাধারণত যেকোনো সময় দেশের বাইরে ভ্রমণ করতে পারেন, তবে দীর্ঘ সময় ধরে বাইরে থাকলে গ্রিন কার্ডের উপর প্রভাব পড়তে পারে। |
| অন্যান্য সুবিধা | কোনো সরকারি সুবিধা পাওয়া যায় না। | কিছু সরকারি সুবিধা পাওয়া যায়, যেমন সামাজিক নিরাপত্তা এবং মেডিকেয়ার। |
| স্পন্সরের প্রয়োজন | স্টুডেন্ট ভিসার জন্য সাধারণত স্পন্সরের প্রয়োজন হয় না, তবে আর্থিক সহায়তার প্রমাণ দেখাতে হয়। | গ্রিন কার্ডের জন্য সাধারণত স্পন্সরের প্রয়োজন হয় (employer বা পরিবারের সদস্য)। |
আমেরিকা স্টুডেন্ট ভিসা থেকে গ্রিন কার্ড পাওয়ার পথটি কঠিন হলেও অসম্ভব নয়। সঠিক পরিকল্পনা, প্রস্তুতি এবং পরিশ্রমের মাধ্যমে আপনিও আপনার স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন। শুভকামনা।
আরো জানুনঃ
- ভিসা প্রত্যাখ্যান? বাংলাদেশিদের জন্য করনীয় জানুন
- পুশিং ভিসা কি? খরচ, যোগ্যতা, আবেদন ও গুরুত্বপূর্ণ টিপস
- কানাডা ইনভেস্টর ভিসা। যোগ্যতা, খরচ ও আবেদন প্রক্রিয়া
- ফ্রান্স ফ্যামিলি ভিসা। প্রসেসিং টাইম, রিকুইরেমেন্টস,খরচ ও আপডেট
- দুবাই বিজনেস ভিসা। খরচ, সুবিধা ও আবেদন প্রক্রিয়া
- মালয়েশিয়া সেকেন্ড হোম ভিসা
- ইউরোপ ভিসা প্রসেসিং
- আমেরিকার ভিজিট ভিসা পাওয়ার যোগ্যতা
- যুক্তরাজ্য ব্লু কার্ড ভিসা। যোগ্যতা, সুবিধা ও আবেদন
- ইউকে হেলথ অ্যান্ড কেয়ার ভিসা।বেতন,খরচ ও সুবিধা
- ভিসার জন্য ব্যাংক স্টেটমেন্ট তৈরি করার নিয়ম
- নতুন পাসপোর্টে ভিসা পাওয়ার উপায়। জানুন সহজ টিপস
