গ্রিন কার্ড নিয়ে কত দিন দেশের বাইরে থাকা যায় ও নতুন নিয়ম

যুক্তরাষ্ট্রের পার্মানেন্ট রেসিডেন্টদের জন্য আন্তর্জাতিক ভ্রমণের ক্ষেত্রে অভিবাসন আইনের প্রতিটি ধারা নিখুঁতভাবে মেনে চলা আবশ্যক। সাধারণ প্রবাসীদের জন্য আইনি ব্যাখ্যা হলো একজন স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে গ্রিন কার্ড নিয়ে কত দিন দেশের বাইরে থাকা যায় তা নির্ভর করে তার অবস্থানের মেয়াদ ও আমেরিকায় স্থায়ী বসবাসের উদ্দেশ্যের ওপর।

আইন অনুযায়ী কোনো পারমিট ছাড়া টানা ১৮০ দিন বা ৬ মাসের কম সময় বিদেশে অবস্থান করলে সাধারণ প্রবেশে কোনো বাধা থাকে না। কিন্তু একটানা ১৮০ দিনের বেশি অবস্থান করলে কন্টিনিউয়াস রেসিডেন্স ভেঙে যায় এবং ১ বছরের বেশি বিদেশে কাটালে গ্রিন কার্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে অকার্যকর হওয়ার মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়।

গ্রিন কার্ড নিয়ে কত দিন দেশের বাইরে থাকা যায় ও ১৮০ দিনের নিয়ম

আমেরিকান অভিবাসন আইন (INA Section 101) অনুযায়ী একজন বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা টানা ১৮০ দিনের কম সময় বিদেশে থাকলে তাকে সাধারণ ভ্রমণকারী হিসেবে গণ্য করা হয়। এই মেয়াদের মধ্যে দেশে ফিরলে কোনো বিশেষ পারমিট ছাড়াই শুধুমাত্র বৈধ মূল গ্রিন কার্ড দেখিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পুনরায় প্রবেশ করা যায়।

আমার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, অনেকে মনে করেন বছরে একবার আমেরিকায় এসে কয়েক দিন কাটিয়ে গেলেই স্ট্যাটাস সুরক্ষিত থাকে। বিষয়টি সম্পূর্ণ ভুল; কারণ ইউএস বর্ডার গার্ডরা যদি বুঝতে পারেন যে আপনার মূল বসবাস আমেরিকায় নয় বরং অন্য কোনো দেশে, তবে যেকোনো সময় তারা কার্ড ত্যাগের আইনি চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

দেশের বাইরে থাকার সময়কালআইনি স্ট্যাটাস ও ঝুঁকিপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ নথিকরণীয় ও প্রবেশের শর্তাবলী
১ থেকে ১৭৯ দিন (৬ মাসের কম)সম্পূর্ণ নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্তমূল গ্রিন কার্ড ও পাসপোর্টনিয়মিত চ্যানেলে সরাসরি প্রবেশ
১৮০ দিন থেকে ৩৬৪ দিনমাঝারি ঝুঁকি (কন্টিনিউয়াস রেসিডেন্স ব্রেক)গ্রিন কার্ড ও ইউএস টাইসের প্রমাণপত্রCBP অফিসারের প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়া
৩৬৫ দিন বা ১ বছরের বেশিগ্রিন কার্ড বাতিল বা ইনভ্যালিডরি-এন্ট্রি পারমিট বা SB-1 ভিসাকনস্যুলার ইন্টারভিউ ও স্পেশাল এন্ট্রি

‘ম্যাটার অব হুয়াং’ আইনি নজির ও পার্মানেন্ট ইনটেন্ট টেস্ট

আমেরিকান ইমিগ্রেশন আদালতের ঐতিহাসিক নজির “Matter of Huang” অনুযায়ী সিবিপি কর্মকর্তাদের মূল বিবেচ্য বিষয় হলো প্রবাসীর স্থায়ী বসবাসের মানসিক উদ্দেশ্য (Permanent Intent)। কেউ যদি ৫ মাস বিদেশে থেকে আমেরিকায় এসে মাত্র ১৫ দিন কাটিয়ে আবার চলে যান, তবে কাগজে-কলমে ১৮০ দিনের নিচে থাকলেও অফিসাররা একে স্থায়ী বসবাস হিসেবে গণ্য করেন না।

বর্ডার অফিসাররা পর্যবেক্ষণ করেন আপনার স্থায়ী কাজের জায়গা, ব্যাংক লেনদেন ও পারিবারিক কেন্দ্র আমেরিকায় রয়েছে কি না। যদি কোনো গ্রিন কার্ডধারী ব্যক্তি আমেরিকায় নামমাত্র সময় কাটিয়ে মূল জীবিকা বিদেশে পরিচালনা করেন, তবে আদালত তাকে রেসিডেন্সি ত্যাগের অভিযোগে অভিযুক্ত করতে পারে।

রি-এন্ট্রি পারমিট (Form I-131) ও ২ বছর অবস্থানের নিয়ম

ব্যক্তিগত, পারিবারিক বা ব্যবসায়িক প্রয়োজনে দীর্ঘমেয়াদে দেশত্যাগের আগে গ্রিন কার্ড নিয়ে কত দিন দেশের বাইরে থাকা যায় তার সময়সীমা বিবেচনা করে আগাম রি-এন্ট্রি পারমিটের জন্য আবেদন করতে হয়। সরকারি ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (USCIS) এর মাধ্যমে Form I-131 পূরণ করে এই পারমিট সংগ্রহ করতে হয়।

আমেরিকা ত্যাগ করার পূর্বে এই ফর্মটি সাবমিট করে স্থানীয় অ্যাপ্লিকেশন সাপোর্ট সেন্টারে গিয়ে বায়োমেট্রিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। এই পারমিটটি সঙ্গে থাকলে কোনো ধরনের স্ট্যাটাস বাতিলের ঝুঁকি ছাড়াই টানা ২ বছর পর্যন্ত বিদেশে থাকা সম্ভব হয়। রি-এন্ট্রি পারমিটের আবেদন প্রসেসিং চলাকালীন দেশ ছাড়লেও পারমিট বুকলেটটি পরবর্তীতে ঢাকার ইউএস দূতাবাস থেকে সংগ্রহ করা যায়।

কন্ডিশনাল গ্রিন কার্ড ও Form I-751 ফাইলিং উইন্ডো

বিয়ে বা বিনিয়োগ সূত্রে প্রাপ্ত ২ বছর মেয়াদী কন্ডিশনাল গ্রিন কার্ডধারীদের (CR1 বা EB-5 ক্যাটাগরি) ক্ষেত্রে ভ্রমণের নিয়মাবলী অত্যন্ত কঠোর। তাদের কার্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্ববর্তী ঠিক ৯০ দিনের বিশেষ উইন্ডোর ভেতরে শর্ত অপসারণের জন্য Form I-751 দাখিল করতে হয়।

আবেদনকারীদের এই ভুলটি সবচেয়ে বেশি করতে দেখা যায় যে তারা বিদেশে থাকা অবস্থায় এই ৯০ দিনের সময়সীমা পার করে ফেলেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন না করলে কোনো শুনানির সুযোগ ছাড়াই কন্ডিশনাল রেসিডেন্সি সরাসরি বাতিল হয়ে যায় এবং পুনরায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

নিচে রি-এন্ট্রি পারমিট ও শর্ত অপসারণ সংক্রান্ত সরকারি ফি এর তুলনামূলক তালিকা তুলে ধরা হলোঃ

আবেদনের খাত ও ফর্ম টাইপসরকারি নির্ধারিত ফি (USD)বাংলাদেশি টাকা (BDT)পরিশোধের সঠিক মাধ্যম ও প্ল্যাটফর্ম
রি-এন্ট্রি পারমিট ফি (Form I-131)$৫৭৫ – $৬৩০ ডলার৭০,০০০ – ৭৭,০০০ টাকাUSCIS অনলাইন পোর্টাল বা মানি অর্ডার
বায়োমেট্রিক সার্ভিস ফি$৮৫ ডলার১০,৫০০ টাকাফর্ম ফাইলিংয়ের সাথে একসাথে প্রদান
শর্ত অপসারণ ফি (Form I-751)$৫৯৫ – $৭৫০ ডলার৭২,০০০ – ৯০,০০০ টাকাসরাসরি ইউএসসিআইএস ফি লক-বক্স
SB-1 অ্যাপ্লিকেশন ফি (DS-117)$১৮০ ডলার২২,০০০ টাকাঢাকাস্থ ইউএস এম্বাসি কাউন্টারে জমা

ট্যাক্স রিটার্ন ত্রুটি ও Form 1040-NR এর মারাত্মক ঝুঁকি

গ্রিন কার্ড সুরক্ষার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হলো নিয়মিত ও সঠিক ক্যাটাগরিতে ইউএস ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল করা। একজন স্থায়ী বাসিন্দাকে ফেডারেল ট্যাক্স আইনের আওতায় রেসিডেন্ট হিসেবে মূল Form 1040 এর মাধ্যমেই বিশ্বব্যাপী আয়ের বিবরণী জমা দিতে হয়।

ট্যাক্স বাঁচানোর অসদুপায় হিসেবে যদি কোনো স্থায়ী বাসিন্দা নন-রেসিডেন্ট এলিয়েন দেখিয়ে Form 1040-NR ফাইল করেন, তবে অভিবাসন আদালত একে গ্রিন কার্ড স্বেচ্ছায় বিসর্জনের চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করে। ভিসাটি পাওয়ার জনয ও স্ট্যাটাস বহাল রাখতে এই ধরনের ভুল ফাইলিং থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সময় বিমানবন্দরে নিজের স্থায়ী সম্পর্কের প্রমাণ দেখাতে যেসব নথি সাথে রাখা আবশ্যক:

  • ট্যাক্স রিটার্ন ট্রান্সক্রিপ্ট: বিগত বছরগুলোর আইআরএস (IRS 1040) ট্যাক্স ফাইলিংয়ের অফিশিয়াল রেকর্ড।
  • সক্রিয় ব্যাংকিং লেনদেন: নিয়মিত ব্যবহৃত হচ্ছে এমন ইউএস ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও ক্রেডিট কার্ড।
  • আবাসন চুক্তিপত্র: নিজের নামে সচল থাকা অ্যাপার্টমেন্ট লিজ পেপার বা ইউটিলিটি বিলের কপি।
  • বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স: স্টেটের বৈধ ড্রাইভার্স লাইসেন্স বা স্টেট আইডি কার্ড।
  • রি-এন্ট্রি পারমিট বুকলেট: ১ বছরের বেশি অবস্থানের ক্ষেত্রে ইউএসসিআইএস অনুমোদিত আসল রি-এন্ট্রি বুকলেট।

বিমানবন্দরে সেকেন্ডারি ইন্সপেকশন ও অভিবাসন আদালতের অধিকার

দীর্ঘদিন বিদেশে থাকার পর আমেরিকার বর্ডার ক্রস করার সময় ইউএস কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (CBP) অফিসাররা যাত্রীকে সেকেন্ডারি ইন্সপেকশন রুমে পাঠাতে পারেন। সেখানে অফিসাররা দীর্ঘ অনুপস্থিতির কারণ যাচাইয়ে বিস্তারিত জেরা পরিচালনা করেন।

একটি সাধারণ বাস্তব নিয়ম হলো সেকেন্ডারি রুমে কোনো সিবিপি অফিসার একক সিদ্ধান্তে আপনার গ্রিন কার্ড বাতিল বা কেড়ে নিতে পারেন না। যদি অফিসার আপনাকে গ্রিন কার্ড সারেন্ডার করার ফর্ম (Form I-407) স্বাক্ষর করতে চাপ দেন, তবে শান্তভাবে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে ইমিগ্রেশন জজের (Immigration Judge) সামনে শুনানির নোটিশ টু অ্যাপিয়ার (NTA) দাবি করার পূর্ণ আইনি অধিকার আপনার রয়েছে।

১ বছরের বেশি আটকে পড়লে এসবি-১ (SB-1) ভিসার নিয়ম

কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত জরুরি পরিস্থিতি—যেমন জটিল শারীরিক অসুস্থতা বা আন্তর্জাতিক বিধিনিষেধের কারণে রি-এন্ট্রি পারমিট ছাড়া ১ বছরের বেশি বিদেশে আটকে পড়লে সাধারণ ফ্লাইটে ফেরা সম্ভব হয় না। সেক্ষেত্রে ঢাকাস্থ মার্কিন কনস্যুলার সেকশনে বিশেষ SB-1 (Returning Resident) ভিসার আবেদন করতে হয়।

জরুরি প্রয়োজনে ভ্রমণের ক্ষেত্রে গ্রিন কার্ড নিয়ে কত দিন দেশের বাইরে থাকা যায় সেই হিসাবটি জানা না থাকলে অনেকেই এই দীর্ঘমেয়াদী জটিলতায় পড়েন। চিকিৎসকের বৈধ কাগজপত্র ও ইউএস সংযোগের অকাট্য প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারলে কনস্যুলার অফিসার নতুন ভিসা স্ট্যাম্প করে দেন।

পার্মানেন্ট রেসিডেন্টদের বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

রি-এন্ট্রি পারমিট থাকা অবস্থায় কি আমেরিকায় প্রবেশ করা যায়?

হ্যাঁ, রি-এন্ট্রি পারমিটের ২ বছর মেয়াদের মধ্যে যেকোনো সময় নির্বিঘ্নে আমেরিকায় আসা-যাওয়া করা যায় এবং এটি গ্রিন কার্ডের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে।

বিদেশে অবস্থানকালে ট্যাক্স ফাইল না করলে কী জটিলতা তৈরি হয়?

নন-রেসিডেন্ট হিসেবে ট্যাক্স ফাইল করা বা ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়াকে রেসিডেন্সি ত্যাগের সমতুল্য বিবেচনা করা হয় এবং এর ফলে স্থায়ী স্ট্যাটাস ঝুঁকিতে পড়ে।

গ্রিন কার্ডের মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে কি বিদেশে বসে রিনিউ করা যায়?

না, ১০ বছর মেয়াদী গ্রিন কার্ড রিনিউয়ের (Form I-90) আবেদন শুধুমাত্র আমেরিকার ভৌগোলিক সীমানার ভেতরে অবস্থানকালেই সাবমিট করা যায়।

কন্ডিশনাল গ্রিন কার্ডের মেয়াদ বিদেশে থাকাকালে শেষ হলে কী করণীয়?

মেয়াদ শেষের ৯০ দিনের উইন্ডোতে অনলাইনে Form I-751 ফাইল করে ইউএসসিআইএস রিসিট নোটিউট সংগ্রহ করতে হবে, যা কার্ডের মেয়াদ সাময়িকভাবে বাড়িয়ে দেয়।

রি-এন্ট্রি পারমিট কতবার পরপর নেওয়া সম্ভব?

আইন অনুযায়ী একাধিকবার আবেদন করা যায়; তবে দ্বিতীয়বারের পর থেকে সাধারণত ১ বছর করে মেয়াদ দেওয়া হয় যদি প্রবাসীর স্থায়ী অবস্থান বিদেশে বেশি দেখা যায়।

দিকনির্দেশনা

আমেরিকার স্থায়ী অভিবাসন সুবিধা অক্ষুণ্ণ রাখতে হলে কোনো প্রকার আইনি শিথিলতা দেখানো উচিত নয়; সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে আন্তর্জাতিক ভ্রমণ সাজাতে হবে। দীর্ঘমেয়াদে দেশত্যাগের আগে গ্রিন কার্ড নিয়ে কত দিন দেশের বাইরে থাকা যায় সেই হিসাবটি ক্যালেন্ডারে দাগ টেনে পরিকল্পনা করাই একজন সচেতন প্রবাসীর জন্য সবচেয়ে সুরক্ষিত পদক্ষেপ।

বিদেশে যাওয়ার পূর্বেই ব্যাংকিং লেনদেন, ট্যাক্স রেকর্ড এবং পরিবারের সাথে ইউএস সংযোগের প্রমাণপত্র সুসংগঠিত রাখুন। যদি ৬ মাসের বেশি অবস্থানের পরিস্থিতি তৈরি হয়, তবে অনতিবিলম্বে ইউএসসিআইএস পোর্টালে ফর্ম সাবমিট করে যাবতীয় আইনি সুরক্ষাকবচ নিশ্চিত করুন।

তথ্যসূত্র

  • ইউএস ইমিগ্রেশন ও সিটিজেনশিপ সার্ভিসেস: স্থায়ী বাসিন্দাদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণ সংক্রান্ত নির্দেশিকা দেখতে ভিজিট করুন USCIS International Travel as a Permanent Resident
  • ইউএস কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন: বিমানবন্দরে প্রবেশ ও রি-এন্ট্রি সংক্রান্ত পলিসি যাচাই করতে দেখুন U.S. Customs and Border Protection Portal

আরো জানুনঃ

সতর্কবার্তা:

আমাদের ওয়েবসাইটের তথ্যসমূহ কেবল দেশী ও প্রবাসীদের তথ্যগত সহায়তা ও সচেতনতার জন্য প্রকাশিত। আমরা কোনো ভিসা এজেন্সি নই এবং সরাসরি ভিসা প্রদান করি না। ভিসা আবেদনের পূর্বে সবসময় সংশ্লিষ্ট দেশের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা এম্বাসির নির্দেশনা অনুসরণ করুন। যেকোনো আর্থিক লেনদেন নিজ দায়িত্বে করুন।

Leave a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Scroll to Top